নিউইয়র্ক, ৮ নভেম্বরঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের ফলে টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারেন। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই ধনী নির্বাচনে খোলাখুলিভাবে ট্রাম্পকে সমর্থন করেছেন এবং তার পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন। দ্বিতীয় ট্রাম্প প্রশাসনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
ট্রাম্পের প্রচার দলের সিনিয়র উপদেষ্টা ব্রায়ান হিউজ জানিয়েছেন, ইলন মাস্ককে একটি ‘কমিশনের’ দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবছেন ট্রাম্প। এই কমিশনের কাজ হবে সরকারকে আরও বেশি দক্ষ করে গড়ে তোলা এবং করদাতাদের প্রতিটি ডলার যাতে ভালোভাবে ব্যবহার করা হয়, তা নিশ্চিত করা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বাস করেন যে মার্কিন ফেডারেল সরকারের দক্ষতা বাড়াতে ইলন মাস্ক সহায়তা করতে পারেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প কর হ্রাসের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা ইলন মাস্ককে সুবিধা দিতে পারে। করপোরেট কর ও ধনীদের ওপর আরোপ করা কর কমাতে ট্রাম্প অনেক দিন ধরেই সরব।আরও পড়ুন:
Read More: মার্কিন নির্বাচনে জয় পেলেন পাঁচ বাংলাদেশি
আরও পড়ুন:
ইলন মাস্কের যেসব কোম্পানি রয়েছে, সেগুলোকে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে কম নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখী হতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে স্পেসএক্স এই সুবিধা বেশি পাবে।
এই কোম্পানি ইতিমধ্যে শত শত কোটি ডলারে সরকারি ঠিকাদারি বাগিয়ে নিয়েছে। আগামী কয়েক বছরে প্রতিরক্ষা বিভাগ ও নাসার কাছ থেকে আরও চুক্তি পেতে পারে কোম্পানিটি। ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন থেকে নভোচারীদের নিয়ে আসা বা সেখানে পাঠানোর জন্য এখন শুধু স্পেসএক্স কাজ করছে। বোয়িংয়ের স্টারলাইনার স্পেসক্রাফট নিয়ে ঝামেলা চলার কারণে এখন ইলন মাস্কের কোম্পানির ওপর নভোচারী পরিবহনের জন্য নির্ভর করতে হচ্ছে। তবে বাইডেন প্রশাসনের সময়ে মাস্কের বিভিন্ন কোম্পানিকে নানা রকম নিয়ন্ত্রণমূলক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হতে হয়েছে। ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে। এসব পরিবর্তন সম্ভবত ইলন মাস্কের কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দিতে পারে।