জেলা

আসন্ন লোকসভার আগে বিদায়ী সাংসদ শতাব্দি রায়কে আবেদন

কৌশিক সালুই বীরভূম ৪ এপ্রিল:- দুই ছেলের মা হলেও ঠাঁই মেলেনি সংসারে। সত্তরোর্ধ্ব বয়স্ক বৃদ্ধা তার এক মেয়ের ছেলেকে অর্থাৎ নাতিকে নিয়ে বসবাস করেন। বসবাসের সেই বাড়িটিও কোন ভাবে রোদ-বৃষ্টি আটকায়। ওই বৃদ্ধার দাবি গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে সরকারি প্রকল্পের একটি বাড়ি দেওয়ার জন্য বারবার আবেদন করেও কোনো ফল পাননি। এবার হাতের কাছে পেলেন বিদায়ী সাংসদ তথা বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শতাব্দী রায়কে। তার দুর্দশার কথা জানালেন। সঙ্গে সঙ্গে এ ভোট প্রার্থী সাংসদ স্থানীয় নেতৃত্বকে বিষয়টি দেখার নির্দেশ দিলেন। যদিও বিরোধীরা এভাবে সাহায্যের প্রতিশ্রুতি কে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলছেন। ঝর্না মন্ডল। বয়স প্রায় ৭০ বছরের বেশি। বাড়ি বীরভুম জেলার মহম্মদ বাজার ব্লকের কাপিস্টা গ্রাম পঞ্চায়েতের নবগ্রাম গ্রাম সংসদের বাসিন্দা তিনি। গত বুধবার বিকেলে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শতাব্দি রায় ও এলাকায় গাড়িতে করে প্রচার করতে বেরিয়েছিলেন। রাস্তায় ভোট প্রার্থী তৃণমূলের বিদায়ী সাংসদের গাড়ি দাঁড় করিয়ে ওই বয়স্ক বৃদ্ধ তার সমস্যার কথা জানান। সঙ্গে সঙ্গেই শতাব্দি রায় তার ব্লক ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে ভোট পর্ব মিটে গেলেই বাড়ি নির্মাণের বিষয়টি দেখতে বলেন। ঝর্ণাদেবী বলেন, বারবার পঞ্চায়েত মেম্বার ও পার্টির কর্মীদেরকে বলে আমার কোনো লাভ হয়নি। ওই এক চিলতে ঘরে কোন ভাবে বসবাস করি নাতিকে নিয়ে। সেই নাতির যৎসামান্য রোজকার। যা থেকে শুধু খাওয়া দাওয়া ছাড়া অন্য কিছু সম্ভব নয়। তাই দিন শতাব্দি রায়কে কাছে পেয়ে আমার অভাবের কথাটি বলেছি। স্থানীয় কাপিষ্ঠা অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি জাহাঙ্গীর খান বলেন, ওই মহিলার জাতিতে সাধারণ শ্রেণী ভুক্ত। তাই সরকারি প্রকল্পে তার বাড়ি পেতে সমস্যা হয়েছে। তবে আমরা ওই মহিলাকে একটি বাড়ির ব্যবস্থা করে দেওয়া যায় তার চেষ্টা করছি।

Show More

Related Articles

error: Content is protected !!
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker
WhatsApp us