মস্কো, ২৩ নভেম্বর: কেউ কেউ বলছেন অঘোষিত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। একদিকে রাশিয়া, ইরান, চিন, উত্তর কোরিয়া। অন্যদিকে, ইউক্রেন, আমেরিকাসহ ইউরোপের বহু দেশ। রাশিয়া ইতিমধ্যেই পরমাণু যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে। পুতিন নিত্যনতুন রণকৌশল গ্রহণ করছেন।
এখন থেকে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলার ক্ষেত্রে নতুনত্ব আনবে। কেবল সামরিক অবকাঠামো বা স্থাপনাই নয়, রাশিয়া এখন থেকে ইউক্রেনের কৌশলগত সব ধরনের স্থাপনাতেই হামলা চালাবে। মস্কোর তরফ থেকে এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এল, যার মাত্র দিন কয়েক আগেই ইউক্রেন আমেরিকা-ব্রিটেনের দেওয়া এটিএসিএমএস ও স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে রাশিয়ায় হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ায় কিয়েভের হামলার জবাবে মস্কোও ইউক্রেনে যুদ্ধের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দূর পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। পাশাপাশি নতুন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েও হামলা চালায়। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তাঁর দেশের কাছে ওরেশনিক নামের নতুন এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত আছে এবং তাঁর দেশ এই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে যাবে।আরও পড়ুন:
রাশিয়ার এক সাংসদ বলেন, ইউক্রেনের হাতে থাকা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো খুব ক্তিশালী নয় এবং অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্রই পুরোনো হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেপণাস্ত্র যার মধ্যে এটিএসিএমএস-ও আছে, এগুলো এখন পুরোনো। ইউক্রেনকে যে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে, সেগুলো এমনকি মার্কিন প্রতিরক্ষা কমপ্লেক্সের পুরোনো মজুত থেকে এসেছে। তিনি জানান, এর মাধ্যমে মূলত যুক্তরাষ্ট্র পুরোনো ক্ষেপণাস্ত্র ভাঁড়ার থেকে ফেলে দিচ্ছে এবং নতুন অর্ডার নিতে যাচ্ছে।