অসমে দুই সন্তান ও শিক্ষার শর্তে ৫ ও ৯ ডিসেম্বর পঞ্চায়েত নির্বাচন, ভালো ফলের আশা ইউডিএফের

0
19

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক : অসমে আগামী ৫ ও ৯ ডিসেম্বর দু’দফায় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফল ঘোষণা হবে ১২ ডিসেম্বর। গতকাল (সোমবার) রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হরেন্দ্রনাথ বরা নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করেছেন।

রাজ্যে জনসংখ্যা নীতি মেনে ২০১৮ সালের ১৯ মার্চ পঞ্চায়েত আইন সংশোধন করে দুই সন্তানের নীতি কার্যকর করা হয়েছে। সেজন্য ২০১৮ সালের ১৯ মার্চের আগে যাদের দুইয়ের বেশি সন্তান ছিল, তাঁরা নির্বাচনে লড়তে পারবেন। কিন্তু ওই আইন কার্যকর হওয়ার পরে যাদের তৃতীয় সন্তান হয়েছে তাঁরা নির্বাচনে লড়তে পারবেন না।

পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদের আসনে লড়তে গেলে সাধারণ প্রার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক পাশ হতে হবে। কিন্তু তপসিলি জাতি ও উপজাতিদের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পাশ হলে চলবে। আঞ্চলিক পঞ্চায়েত সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে সাধারণদের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পাশ এবং তপসিলিদের ক্ষেত্রে অষ্টম শ্রেণি পাশ হলেই হবে। একইভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য পদে দাঁড়াতে গেলে সাধারণ প্রার্থীদের ষষ্ঠ শ্রেণি পাশ এবং তপসিলিদের ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। এছাড়া পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গেলে বাড়িতে স্যানিটারি টয়লেট থাকতে হবে।

অসমে পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রসঙ্গে দলীয় সাফল্য সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করে আজ মঙ্গলবার ইউডিএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদির কাশেমি ‘পুবের কলম’ প্রতিবেদককে বলেন, ‘বিগত দু’বার পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেসব জায়গায় দলের ভালো হয়েছে সেসব জায়গায় আমরা প্রার্থী দেব। রাজ্যের চলমান পরিস্থিতিতে আমাদের সফলতা আরও বাড়বে। নাগরিকত্ব ইস্যু নিয়ে যেসব কাজকর্ম এখানে চলছে, সেক্ষেত্রে কংগ্রেস, বিজেপি বা এজিপি যেদলই হোক না কেন, সবার চেয়ে আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আমরা নাগরিকত্ব ইস্যুতে শুরুতে যে কথা বলেছিলাম, আজও সেকথাই বলছি। কিন্তু অন্য দলগুলো তারা এখন একরকম, পরে অন্য রকম কথা বলে। তারা দ্বিমুখী অবস্থান নিয়ে চলে। জাতীয় নাগরিকপঞ্জিতে (এনআরসি) যাতে প্রত্যেক ভারতীয়ের নাম যাতে নথিভুক্ত হয় সেজন্য আমরা যথাসাধ্য পদক্ষেপ নিয়েছি, সেজন্য আমরা আশাবাদী যে নির্বাচনে তার একটা নিশ্চয় ভালো ফল পাবো। গত নির্বাচনে আমরা ধুবড়ি, বরপেটা, করিমগঞ্জসহ বিভিন্ন জায়গায় জেলা পরিষদ গঠন করেছিলাম।’

তাঁরা ধুবড়ী, বঙাইগাঁও, বরপেটা, করিমগঞ্জ, হাইলাকান্দি, কাছাড়, নগাঁও, মরিগাঁও, দরং, শোনিতপুর প্রভৃতি জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইউডিএফের প্রার্থী দাঁড় করাবেন বলেও ইউডিএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাদির কাশেমি বলেন।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of