জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উদ্যোগে বার্লিনে বুধবার থেকে দুদিনব্যাপী ইসলাম বিষয়ক সম্মেলন শুরু হয়েছে৷ এ বছর বিভিন্ন ইসলামী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি অন্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে৷

২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো ‘জার্মান ইসলাম কনফারেন্স’ বা ডিআইকে আয়োজন করা হয়েছিল৷ সবশেষ সম্মেলনটি দেড় বছর আগে অনুষ্ঠিত হয়৷

জার্মানিতে বসবাসরত মুসলমানদের সমাজে একীভূত করাই ডিআইকে-র লক্ষ্য৷ বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৪৫ লক্ষ মুসলমান বাস করছেন৷

জার্মানির উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কুস কেয়ার্বার সম্প্রতি বলেন, ‘‘জার্মানির মসজিদগুলো যেন আর বিদেশি অর্থের উপর নির্ভরশীল না হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে৷” সেক্ষেত্রে মসজিদগুলোকে জার্মান আইনের কয়েকটি মৌলিক শর্ত মেনে চলতে হবে বলে মনে করেন তিনি৷

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফারও মনে করেন, ইসলামি সভা আয়োজনও অর্থায়নের বিষয়টি জার্মানির ভেতর থেকেই হওয়া উচিত৷ তবে তাদের জার্মানির আইন মেনে চলতে হবে বলে মনে করেন তিনি৷ ‘ফ্রাংকফুর্টার আলগেমাইনে সাইটুং’ পত্রিকায় লেখা এক নিবন্ধে এসব অভিমত প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেহোফার৷

তবে মসজিদে অর্থায়নের জন্য জার্মানিতে ‘চার্চ ট্যাক্স’ বা গির্জার জন্য নির্ধারিত কর থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে গঠিত তহবিল ব্যবহার করা হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়৷

ডিআইকে-তে সাধারণত ইসলামি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নিলেও এবার অন্যদেরও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেহোফার৷ যেমন, সেরান আতেস ও আহমাদ মনসুর৷

এর মধ্যে আতেস বার্লিনে ইবনে রুশদ-গ্যোয়েট মসজিদ নামে একটি উদারপন্থি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেছেন৷ আর মনসুর ধর্মীয় সহিংসতা নিয়ে নিয়মিত তাঁর মত প্রকাশ করে থাকেন৷

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of