এ বছর রসায়নে অন্যতম নোবেলজয়ী জর্জ পি. স্মিথ ইসরাইল বয়কট আন্দোলন বিডিএস’র পুরনো সমর্থক। মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবতাত্ত্বিক বিজ্ঞানের প্রফেসর এমিরেটাস তিনি। এ বছর নতুন এনজাইম ও অ্যান্টিবডি উৎপাদনের প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করার জন্য  এই পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

তবে নিজের ফিলিস্তিনপন্থি রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি কিছুটা বিতর্কিত। ইসরাইলপন্থি গোষ্ঠীগুলো তাঁকে প্রায়ই টার্গেট করে থাকে। ইসরাইল-বিরোধী ব্যক্তিদের তালিকা করে থাকে এমন বিতর্কিত একটি ওয়েবসাইট ক্যানারি মিশনেও তাঁর নাম উল্লেখ আছে। এ খবর দিয়েছে হারেৎস পত্রিকা।
খবরে বলা হয়, জর্জ পি. স্মিথ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন ২০১৫ সালে। সেবার তিনি নিজের বিষয় জীবতত্ত্ব বাদ দিয়ে একবার ‘যায়নবাদ নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি’ বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে ক্লাস নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

ইসরাইলের যায়নবাদ-বিরোধী ইতিহাসবিদ আইলান পাপ্পে ‘ফিলিস্তিনের জাতিগত নিধন’ শীর্ষক একটি বইয়ে স্মিথের ওই টিউটোরিয়াল অন্তর্ভূক্ত হওয়ার কথা ছিল। সেখানে স্মিথ সম্পর্কে লেখা হয়, তিনি ইসরাইলের ইহুদী জনসংখ্যার উৎখাত কামনা করেন না। তবে ফিলিস্তিনিদের প্রতি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার অবসান চান। এছাড়া অন্য জাতিগোষ্ঠীর ওপর ইহুদী জাতির স্বার্বভৌমত্বের ধারণারও তিনি বিরোধী।

এ নিয়ে বিতর্ক হলেও স্মিথ দমে যাননি। তিনি ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিভিন্ন পত্রিকায় মতামত নিবন্ধ লিখে থাকেন।

Leave a Reply

avatar
  Subscribe  
Notify of