সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত আরএসএসের স্কুল বাড়ছে রাজ্যে

0
203

কলম প্রতিবেদক­ শিক্ষার আড়ালে হিন্দুত্ববাদী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্য নিয়ে রাজ্যে একের পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে রাষ্টÉীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। যদিও সরাসরি সংঘের নামে নয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে বিবেকানন্দ বিদ্যাবিকাশ পরিষদের অধীনে। সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে– গত একবছরে নতুন করে আরও ১২টি স্কুলের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছ থেকে। এই মূহূর্তে রাজ্যে সংগঠন পরিচালিত স্কুলের সংখ্যা ৩২৬। আর সেই স্কুলে পডYয়ার সংখ্যা প্রায় ৭৫ হাজার।
সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে– স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শকে অনুসরণ করে হিন্দুত্ববাদের শিক্ষা দিতে ১৯৭৫ সালে শিলিগুড়িতে সারদা শিশু তীর্থ নামে প্রথম বিদ্যালয়টি খোলা হয়েছিল। তারপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সরস্বতী শিশু মন্দির– সারদা শিশু মন্দির– বিবেকানন্দ শিশু মন্দির– সারদা শিশু তীর্থ নামে খোলা হয়েছে ৩২৬টির মতো স্কুল। প্রথমে সরকারি সাহায্য না নেওয়া হলেও বাম সরকারের আমলেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অনুমতি নেওয়া হয়। উদ্দেশ্য হচ্ছে– সর্বশিক্ষা অভিযান সহ মিড-ডে মিল সহ সরকারি যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা নেওয়া। ২০১৫ সালে সংগঠনের পরিচালিত স্কুলের সংখ্যা ছিল ৩১৪। তার মধ্যে উত্তরবঙ্গে ছিল ১১০টি এবং দক্ষিণবঙ্গে ২০৪টি। উত্তরবঙ্গের স্কুলগুলিতে পডYয়ার সংখ্যা ছিল ২৬–৫১৮ জন। আর দক্ষিণবঙ্গের স্কুলগুলিতে পডYয়ার সংখ্যা ছিল ৩৪–০২৭। ২০১৬ সালে ৮টি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এবং ২টি মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত স্কুল সরকারি অনুমোদন লাভ করেছে এবং ওই বছরেই ১৫টি প্রাইমারি স্কুল ‘প্রভিশনাল এফিলিয়েশন’ পেয়েছে। সম্প্রতি বিবেকানন্দ বিদ্যাপরিষদের অধীন যেসব স্কুল রাজ্য সরকারের অনুমোদন পেয়েছে সেগুলি মূলত পশ্চিম মেদিনীপুর– মুর্শিদাবাদ– জলপাইগুড়ি– উত্তর দিনাজপুর ও কোচবিহার জেলায়।
বিবেকানন্দ বিদ্যাবিকাশ পরিষদের অন্যতম কর্মকর্তা তারক দাস সরকার জানিয়েছেন– স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন– নিজের লক্ষ্যে না েপৗঁছনো পর্যন্ত থামা চলবে না। আমরাও সেই উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here