ইসরাইলের আমন্ত্রণে সাড়া দেননি ২৬ অস্কারজয়ী

0
153

জেরুসালেম– ২২ ফেব্র&য়ারিঃ গত বছর অস্কারজয়ী লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও– ম্যাট ডেমন এবং আরও কয়েকজন জনপ্রিয় হলিউড অভিনেতাকে তাদের দেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ইসরাইল। এক বছরে আমন্ত্রিতের সেই তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন ২৬ অস্কার জয়ী অভিনেতা। যদিও তারা কেউই পা রাখেননি ইসরাইলে। এই আমন্ত্রণ যে যথেষ্ট লোভনীয় ছিল সন্দেহ নেই। প্রত্যেকেরই ইসরাইলে বিলাসবহুল আবহে থাকা– খাওয়া-দাওয়া এবং বিনোদনের ঢালাও বন্দোবস্ত। এক একজনের পেছনে খরচ ধরা হয়েছিল ৫৫ হাজার ডলার। এ ছাড়াও ইসরাইলের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উপঢৌকনের হাতছানি তো ছিলই। ২৬ জন অস্কার চলচ্চিত্র তারকাকে বিনামূল্যে ব্যক্তিগত ভ্রমণের এতসব লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হলেও কেউ এই দাওয়াতে সাড়া দেননি– এমন খবরে খুশি ইসরাইল বিরোধী আন্দোলনকারীরা। অস্কারজয়ীদের পদক্ষেপকে তারা তাদের একপ্রকার জয় বলেই মনে করছেন।
২০১৬ সাল। অস্কার পুরস্কারের অনুষ্ঠান চলাকালীন এক মার্কেটিং কোম্পানিকে দিয়ে এসব প্রস্তাব দেওয়া হয়। দেওয়া হয় দুই লক্ষ ডলার মূল্যের গিফট ব্যাগ। ওই গিফট ব্যাগে দেওয়া বিভিন্ন উপহারসামগ্রীর মধ্যে খুব দামি টয়লেট পেপারও ছিল– যার দাম শুনলে চোখ ছানাবড়া হয়ে যাবে।
ইসরাইলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যাঁরা আন্দোলন করছেন তাঁদের বক্তব্য– ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি নির্মাণের ঘটনাকে আড়াল করতে খ্যাতনামাদের শিখণ্ডি করতে চাইছে ইসরাইল।
আগামী ২৬ ফেব্র&য়ারি বসবে অস্কারের এই বছরের আসর। শুধুমাত্র ‘হাঙ্গার গেমস’ ছায়াছবির অভিনেতা জেনিফার লরেন্স ইসরাইলি প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন।
এটি নিঃসন্দেহে একটি সাফল্য– বলছেন ‘ইউএস ক্যাম্পেইন ফর ফিলিস্তিনিয়ান রাইটস’-এর ইউসেফ মুনাইয়ার। তাদের এই আন্দোলনে পাশে দাঁড়িয়েছে মার্কিন সংগঠন ‘জিউইশ ভয়েস ফর পিস’। তাদের মুখপাত্র গ্রানাটে সোসনফ বলেন– এটা আসলে সাংস্টৃñতিক বয়কটেরই অংশ।
মুনাইয়ার বলেন– কেউ ইসরাইল যাননি জানতে পেরে আমি খুব খুশি। আমার মনে হয়– ওই অভিনেতাদের ব্যবহার করে ভাবমূর্তি েফরানোর প্রচেষ্টা কার্যত ব্যর্থ হয়েছে।
গত বছর অস্কারে ‘বেস্ট সাপোর্টিভ অ্যাক্টর’ হয়েছেন মার্ক রিলান্স। বরাবরই তিনি ইসরাইলের একজন সমালোচক। সংবাদ সংস্থাকে মার্ক জানিয়েছেন– ইসরাইল যাচ্ছেন না কোনওমতেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here