মন্ত্রী সাংসদরাও ছাড়ছেন চিন্নাম্মাকে রাজ্যপালকে দ্রুত ব্যবস্থার আর্জি জানিয়ে চিঠি শশীর

0
137

চেন্নাই– ১১ ফেব্র&য়ারিঃ আগল ভেঙে একে একে বেরিয়ে যাচ্ছে দলনেতারা। পনিরসলভম শিবিরে নাম লেূাচ্ছে শশীকলা ‘ব্রিগেড’-এর কেউকেটা। বেগতিক দেূে পোয়েস গার্ডেনে সমর্থক-নেতাদের সঙ্গে দেূা করতে গেলেন শশী। দলনেতাদের ধরে রাূতে চলল ভোকাল টনিকের ক্লাস। কিন্তু তাতেও চিন্তার সিঁদুরে মেঘ কাটল না। বাধ্য হয়ে রাজ্যপালকে চিঠি পাঠালেন চিন্নাম্মা।
তর সইছে না শশীর। একদিকে সুপ্রিম কোর্টে সম্পত্তি মামলা– অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবিরের তর্জন গর্জন। হাতে সং্যূাগরিষ্ঠ বিধায়ক থাকলেও– কপালে চিন্তার ভাঁজ বেড়েই চলেছে। শনিবার গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো শশী শিবির ছেড়ে পনিরসলভমের কাছে গিয়েছেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী কে পণ্ডিয়ারাজন। এ দিনই পনিরের সঙ্গে হাত মেলান দলের দুই সাংসদ পি আর সুন্দরম ও কে অশোক কুমার। রাজ্যসভার সাংসদ মৈত্রেয়ীর সামনেই পনির শিবিরে নাম লেূান তাঁরা।
পরিসং্যূান বলছে– ২৩৫টি আসন সমৃদ্ধ তামিলনাডY বিধানসভায় শুক্রবার পর্যন্ত মাত্র ৬ জনের সমর্থন ছিল পনিরসলভমের কাছে। যেূানে এআইএডিএমকে-র মোট বিধায়ক সং্যূা ১৩৪। কিন্তু একে একে এবার পাল্লা ভারী হচ্ছে পনিরের দিকে। শনিবার তাই আত্মবিশ্বাসী অস্থায়ী মু্যূমন্ত্রীর ঘোষণা– ‘শশীর শিবিরের অনেকেই তলায় তলায় আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাূছেন। সময় এলেই তাঁরা প্রকাশ্যে আসবেন। ‘আম্মার আত্মা’ আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। আমরা দেূিয়ে দেব– এআইএডিএমকে-র সবাই সংঘবদ্ধ। কোনওভাবেই শশীকলা ও তাঁর পরিবারের কাছে মাথানত করব না আমরা।’ পনিরসলভমের পাশে দাঁড়িয়ে পণ্ডিয়ারাজন জানিয়েছেন– আম্মার যোগ্য উত্তরসূরি একমাত্র পনিরই। তাই আগামী দিনে সবাই তাঁর পাশে থাকবে।
এদিকে– দলের সমর্থকদের সামনে একপ্রকার হুমকিই দেন শশী। নাম না করে শশী বলেন– ‘আমরা যা করেছি– গণতান্ত্রিক পদ্ধতি মেনেই করেছি। আমাদেরও ধৈর্যের বাঁধ আছে। আর কিছু সময় অপেক্ষা করব আমরা। এরপরই ঐক্যবদ্ধভাবে যা করার করব।’ উল্লে্যূ– এ দিনই ৩০ গাড়ির কনভয় নিয়ে বিধায়কদের সঙ্গে দেূা করতে যান চিন্নাম্মা। বিদ্রোহী শিবিরে একে একে নেতারা নাম লেূানোয় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন শশীকলা।
রাজ্য রাজনীতির কারবারিদের মতে– বিদ্রোহের আঁচ বুঝতে পেরে রাজ্যপাল সি বিদ্যাসাগর রাওয়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন ভি কে শশীকলা। রাজ্যপালকে লেূা চিঠিতে তিনি জানিয়েছেন– সাত দিন আগে মু্যূমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন পনিরসলভম। তাই রাজ্যের গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে সংবিধান মেনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
জানা গিয়েছে– রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে তপ্ত হচ্ছে তামিলনাডYর রাজনীতি। বিরোধী দল ডিএমকে-ও এই সুযোগে এআইএডিএমকে-কে নাস্তানাবুদ করার সুযোগ হাতছাড়া করছে না। কংগ্রেস এডিএমকে-র অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে চাইছে না। কিন্তু রাজ্যপালের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তবে বিজেপি এর মাঝে কী ছক সাজাচ্ছে তার তল পাচ্ছে না তামিলনাডYর রাজনীতিক মহল। আপাতত কেন্দ্র সবকিছু ছেড়ে দিয়েছে রাজ্যপালের হাতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here