অনুরাগ-শিরকে ঘনিষ্ঠদের ‘ছুটি’ করে দিল বোর্ড

0
145

মুম্বই– ৬ ফেব্র&য়ারিঃ যে বোর্ড কর্তাদেরক্ষমতা ছেঁটে দেওয়া হয়েছে তাঁদের নিয়োগ করা কর্মচারীদের বোর্ডে রাূার প্রয়োজন আছে কি? বিসিসিআই-এর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠার পর আর সময় নষ্ট নয়। তড়িঘড়ি অনুরাগ ঠাকুর ও অজয় শিরকেদের নিয়োগ করা কর্মচারীদের ছেঁটে ফেলার রাস্তায় হাঁটল বিসিসিআই। প্রথম যিনি পদ খোয়ালেন– তিনি টিম ইন্ডিয়ার মিডিয়া ম্যানেজার নিসান্ত জিৎ অরোরা। বিরাট কোহলিদের মিডিয়া ম্যানেজার নিশান্তের বিরুদ্ধে তথ্য পাচারের মতো গুরতর অভিযোগ আনেন দলের দুই দুই সিনিয়র ক্রিকেটার। আর সোমবারই তাঁকে ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন বোর্ড প্রশাসক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন দলের দুই সিনিয়র ক্রিকেটার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিনিয়র ক্রিকেটারের বক্তব্য ছিল– মিডিয়া ম্যানেজার নিশান্ত ভারতীয় ড্রেসিংরুমের তথ্য পাচার করেছেন প্রাক্তন বোর্ড সভাপতি অনুরাগ ঠাকুরের কাছে।
লোধা কমিটির সুপারিশ কার্যকর না করায় অনুরাগকে সরিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু ঠাকুর সরলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ নিশান্ত রয়ে গিয়েছিলেন ভারতীয় দলের মিডিয়া ম্যানেজারের দায়িত্বে। তিনি যে অনুরাগের কাছে তথ্য পাচার করেছেন– তা ভারতীয় বোর্ডের নজরে আসার পরই সরে দাঁড়ান বিরাটদের মিডিয়া ম্যানেজার। গত সপ্তাহে বিসিসিআইয়ের কাজ পরিচালনার জন্য চার সদস্যের কমিটি নিয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট। চার সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন ক্যাগের প্রাক্তন আধিকারিক বিনোদ রাই– আইডিএফসি ব্যাঙ্কের এমডি বিক্রম লিমায়ে– ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ডায়না এডুলজি ও ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ। কমিটির প্রধান হন বিনোদ রাই।
এই কমিটিই অনুরাগ ঠাকুর ও অজয় শিরকের নিয়োগ করা বোর্ড কর্মচারীদের ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। এই নিয়ে দিল্লিতে ১ ফেব্র&য়ারি সভা করে কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (সিওএ)। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়– এই সিওএ-র অনুমতি ছাড়া বোর্ডে কোনও কর্মী নিয়োগ করা যাবে না। আইপিএল ও বোর্ড সিইও রাহুল জহুরি প্রয়োজনে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করতে পারবেন। কিন্তু তাঁদের মেয়াদ চার মাসের বেশি না হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here